1. gourangodas6@gmail.com : Gourango Lal Das : Gourango Lal Das
  2. jmitsolutionbd@gmail.com : support :
আগৈলঝাড়ায় স্কুল শিক্ষকের বেত্রাঘাতে তৃতীয় শ্রেণির ছাত্রীর রহস্যজনক আত্মহত্যা - কোটালীপাড়া নিউজ
সোমবার, ০২ মার্চ ২০২৬, ০৭:৫২ পূর্বাহ্ন

আগৈলঝাড়ায় স্কুল শিক্ষকের বেত্রাঘাতে তৃতীয় শ্রেণির ছাত্রীর রহস্যজনক আত্মহত্যা

  • প্রকাশিত : বৃহস্পতিবার, ১০ সেপ্টেম্বর, ২০২০
  • ৪১৯ জন সংবাদটি পড়েছেন।

আঞ্চলিক প্রতিনিধি, বরিশাল

বরিশালের আগৈলঝাড়ায় স্কুল শিকের বেত্রাঘাতের অপমান সইতে না পেরে গলায় ফাঁস দিয়ে তৃতীয় শ্রেণির এক ছাত্রীর রহস্যজনক আত্মহত্যা নিয়ে জনমনে প্রশ্ন। আত্মহত্যার ঘটনায় মারধর করা শিক্ষককে অভিযুক্ত করে শিক্ষার্থীর বাবার থানায় মামলা দায়ের। ঘটনার পর থেকে অভিযুক্ত শিক্ষক পলাতক রয়েছেন। স্থানীয়দের অভিযোগ তৃতীয় শ্রণির ছাত্রীর আত্মহত্যার বিষয়টি রহস্যজনক। পুলিশ শিশু শিক্ষার্থীর লাশ উদ্ধার করে বরিশাল মর্গে প্রেরণ করেছে।
আগৈলঝাড়া থানা অফিসার ইন চার্জ মো. আফজাল হোসেন এজাহারের বরাত দিয়ে বলেন, করোনা ভাইরাসের কারণে উপজেলার বাগধা ইউনিয়নের খাজুরিয়া গ্রামে প্রতিষ্ঠিত দারুল ফালাহ প্রি-ক্যাডেট একাডেমী দীর্ঘদিন বন্ধের পর গত ৫সেপ্টেম্বর (শনিবার) স্কুলের মাসিক পরীা অনুষ্ঠিত হয়। তিন দিন পরে ওই পরীক্ষার ফলাফল প্রকাশ করা হয় বুধবার (৯ই সেপ্টেম্বর) দুপুরে। প্রকাশিত ফলাফলে স্কুলের তৃতীয় শ্রেনির শিক্ষার্থী নুশরাত জাহান নোহা ৩০মার্ক পেয়ে অকৃতকার্য হওয়ায় স্কুলের শিক শফিকুল ইসলাম সুমন পাইক শিক্ষার্থী নোহাকে কাশ রুমে বেত্রাঘাত করে গালমন্দ করেন।
নুশরাত জাহান নোহা খাজুরিয়া গ্রামের মো. সুমন মিয়ার মেয়ে ও অভিযুক্ত শিক্ষক শফিকুল ইসলাম সুমন পাইক (৩৭) পাশ্ববর্তি উজিরপুর উপজেলার সাতলা গ্রামের মো. আব্দুল লতিফ পাইকের ছেলে।
নোহা স্কুল থেকে বাড়ি ফিরে স্বজনদের কাছে ঘটনা খুলে বলে কান্নাকাটি করে। সহপাঠিদের সামনে শিক্ষকের মারধর ও গালমন্দ সইতে না পেরে অভিমান করে বুধবার দুপুরে নোহা নিজেদের ঘরের দোতলার আড়ায় ওড়নার সাথে গামছা জোড়া লাগিয়ে তা দিয়ে গলায় ফাঁস দিয়ে আত্মহত্যা করেছে মর্মে অভিযোগ করা হয়।
বাবা সুমন মিয়া মেয়ে নোহাকে ঝুলন্ত অবস্থা দেখে তাৎক্ষনিক নামিয়ে স্থানীয় পয়সা কিনিকে নিলে সেখানের কর্তব্যরত চিকিৎসক নোহাকে মৃত ঘোষণা করেন।
শিশু শিক্ষার্থী নুসরাত জাহান নোহার মৃত্যুর জন্য শিক সুমন পাইককে অভিযুক্ত করে বৃহস্পতিবার সকালে আগৈলঝাড়া থানায় আত্মহত্যা প্ররোচনার অভিযোগে নোহার বাবা সুমন মিয়া একটি মামলা দায়ের করেছেন, নং-৪ (১০.৯.২০)। ঘটনার পর বুধবার থেকেই অভিযুক্ত ওই শিক পলাতক রয়েছে।
মৃত শিক্ষার্থী নোহার গর্ভধারিনী মা তানিয়া বেগম ও প্রতিবেশীরা নাম না প্রকাশের শর্তে জানান, নোহার বাবা সুমন মিয়া বর্তমানে চার নম্বর স্ত্রী নিয়ে সংসার করছেন। নোহা ওই পরিবারের সৎ মায়ের কাছে ছিল চক্ষুশূল। তার দাদা দাদীর কাছেও নোহা ছিল অবহেলিত। তানিয়ার অভিযোগ তার মেয়ে নেহাকে তার সতীন ও শ্বশুর-শ্বাশুরী বালিশ চাপা দিয়ে হত্যার পরে লাশ ঝুলিয়ে লেখেছে। নোহার মৃত্যুর খবর পেয়ে তার গর্ভধারিনী মা ঢাকা থেকে বুধবার রাতেই থানায় ছুটে আসেন মামলা করার জন্য। থানার সামনে বষেই তিনি এসব অভিযোগ করেন। তিনি থানায় গিয়ে তার আগেই সাবেক স্বামী সুমন মিয়া শিক্ষককে অভিযুক্ত করে থানায় অভিযোগ দায়ের করেছে। তাদের প্রশ্ন অতটুকু মেয়ে কিভাবে ওড়না ও গামছা জোড়া লাগিয়ে গলায় ফাঁস দিতে পারে? নোহার মৃত্যুর পিছনে পরিবারের তৃতীয় ব্যক্তি জড়িত রয়েছে অভিযোগ করে মামলাটি আইন শৃংখলা বাহিনী গভীরে গিয়ে তদন্ত করার আহ্বান জানিয়েছেন তারা।
মামলার তদন্তকারী কর্মকর্তা এসআই মনিরুজ্জামান এ রিপোর্ট লেখার সময়ে পিও ভিজিটরত অবস্থায় জানান, বিভিন্ন দিক মাথায় রেখে তিনি তদন্ত শুরু করেছেন। ময়না তদন্ত রিপোর্ট পাবার পরেই বিষয়টি উদঘাটন করা যাবে বলেও জানান তিনি। পুলিশ ময়না তদন্তের জন্য নোহার লাশ উদ্ধার করে বৃহস্পতিবার সকালে বরিশাল মর্গে প্রেরণ করেছে

সংবাদটি শেয়ার করুন

এই ক্যাটাগরির আরো সংবাদ

পুরোনো সংবাদ

সোম মঙ্গল বুধ বৃহ শুক্র শনি রবি
 
১০১১১২১৩১৪১৫
১৬১৭১৮১৯২০২১২২
২৩২৪২৫২৬২৭২৮২৯
৩০৩১  
© All rights reserved © Kotalipara News24
Developed by : Kotalipara News
error: Content is protected !!