1. gourangodas6@gmail.com : Gourango Lal Das : Gourango Lal Das
  2. jmitsolutionbd@gmail.com : support :
করোনার কারণে আগৈলঝাড়ায় দই, মিষ্টি ব্যবসায় ধ্বস - কোটালীপাড়া নিউজ
সোমবার, ২৮ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ০৭:১১ পূর্বাহ্ন
Title :
কোটালীপাড়ায় মাদক সেবনের দায়ে যুবককে ১ বছরের কারাদণ্ড কোটালীপাড়ায় মাদক বিরোধী শোভাযাত্রা ও আলোচনা সভা অনুষ্ঠিত কোটালীপাড়ায় ২ লাখ টাকার নিষিদ্ধ চায়না দুয়ারী জাল উদ্ধার ও পুড়িয়ে ধ্বংস কোটালীপাড়ায় পল্লী উন্নয়ন একাডেমি’র বৃক্ষরোপণ ও চারা বিতরণ কর্মসূচির উদ্বোধন কোটালীপাড়ায় বার্জার পেইন্টসের ‘পেইন্টার কর্মশালা’ অনুষ্ঠিত কোটালীপাড়ায় নিবন্ধিত জেলেদের মাঝে বকনা বাছুর বিতরণ কোটালীপাড়ায় মুখরিত ‘মা সমাবেশ’: সন্তানের সুশিক্ষা ও সুরক্ষার অঙ্গীকার কোটালীপাড়ায় বার্জার ফসরকের রাজমিস্ত্রি কর্মশালা অনুষ্ঠিত কোটালীপাড়ায় নারী ও শিশু নির্যাতন প্রতিরোধ কমিটির সভা অনুষ্ঠিত কোটালীপাড়ায় ব্রাজিল সমর্থকদের বর্ণাঢ্য আনন্দ শোভাযাত্রা

করোনার কারণে আগৈলঝাড়ায় দই, মিষ্টি ব্যবসায় ধ্বস

  • প্রকাশিত : বৃহস্পতিবার, ২ জুলাই, ২০২০
  • ৫৩৪ জন সংবাদটি পড়েছেন।

আঞ্চলিক প্রতিনিধি, বরিশাল :
মহামারি করোনা ভাইরাসের প্রাদুর্ভাবের কারনে বরিশালের আগৈলঝাড়ায় উপজেলায় ঐতিহ্যবাহী দই, মিষ্টি ব্যবসায় বড় ধরনের ধ্বস নেমেছে। অন্যসময়ের চেয়ে অন্তত ৭০ থেকে ৮০ শতাংশ বিক্রি কমেছে বলে দাকি করেছে মিষ্টিজাত পণ্য বিক্রির সঙ্গে জড়িত ব্যবসায়ীরা।
মিষ্টি ব্যবসায়ীরা জানান, মিষ্টি ব্যবসায় অস্বাভাবিক ধ্বসের কারণে দোকান বা প্রতিষ্ঠান পরিচালনা থেকে শুরু করে দোকান ভাড়া, পণ্য কেনা ও কর্মচারীদের বেতন-ভাতা পরিশোধ করাও মালিকদের পক্ষে কঠিন হয়ে পড়েছে। উপজেলার ৫টি ইউনিয়নে ছোটখাটো অনেক দোকান বন্ধ হয়ে গেছে, বাকি দকোন বন্ধ হওয়ার উপক্রম হয়েছে।
ব্যবসায়িরা জানান, মিষ্টিজাত দ্রব্য পণ্যের বিক্রি ও চাহিদা থাকে মূলত বিয়ে, জন্মদিন, মৃত্যুবার্ষিকী মিলাদ, পারিবারিক ও বিভিন্ন সামাজিক অনুষ্ঠানকে কেন্দ্র করে। এছাড়া আত্মীয়-স্বজনদের বাড়িতে বেড়াতে যাওয়ার সময় মানুষ মিষ্টিজাত দ্রব্য নিয়ে যান। কিন্তু বর্তমান করোনা ভাইরাসের কারনে সরকারি নিষেধাজ্ঞায় সব ধরনের ধর্মীয় ও সামাজিক আচার অনুষ্ঠান বন্ধ রয়েছে। এ কারনে মিষ্টিজাত দ্রব্যের বিক্রি ও চাহিদা স্বাভাবিক সময়ের চেয়ে ৭০ থেকে ৮০ শতাংশ হ্রাস পয়েছে। অন্যদিকে রয়েছে সাধারণ মানুষের অর্থনৈতিক সংকট। মধ্যবিদত্ত পরিবারগুলো তাদের নিত্যপ্রয়োজনীয় দ্রব্যের জোগান দিতেই হিমশিম খাচ্ছেন। এই অবস্থায় অনেকটা বিলাসী সামগ্রী মিষ্টি ও মিষ্টিজাত দ্রব্য ক্রয় অনেকের জন্য দুরূহ হয়ে পড়েছে।


উপজেলার অন্যতম মিষ্টি প্রস্তুত ও বিপণন প্রতিষ্ঠান গৈলা বাজারের শ্রী দুর্গা মিষ্টান্ন ভান্ডারের মালিক গোসাই দাস জানান, ঘোষ মিষ্টান্ন ভান্ডারের মালিক পরিমল ঘোষ জানান, করোনা ভাইরাসের কারনে সামাজিক অনুষ্ঠানে লোক সমাগমের সরকারি কোন অনুমতি না থাকায় তাদের মিষ্টি বিক্রি ৭০ থেকে ৮০ শতাংশ কমে গেছে। মিষ্টি বা মিষ্টিজাত দ্রব্য হচ্ছে সামাজিক অনুষ্ঠানে আপ্যায়নের প্রধান উপাদান। সামাজিক অনুষ্ঠান না হওয়ার কারনে মিষ্টি বিক্রিতে এই সমস্যা দেখা দিয়েছে। মিষ্টিজাত দ্রব্য বিক্রি কমে যাওয়ায় গরুর খামারিরা তাদের গরুর দুধ বিক্রি নিয়ে পড়েছেন মহাবিপাকে। কারন এই এলাকায় যে পরিমান গরুর দুধ পাওয়া যায় তার বেশির ভাগ দুধ সরবরাহ করা হতো মিষ্টির দোকানগুলোতে। কিন্তু মিষ্টি বিক্রি কমে যাওয়ায় ব্যবসায়ীরা এখন আর তেমন দুধ কিনছেন না। যে কারনে অনেক গরুর খামারিরা তাদের গরু বিক্রি করে দিচ্ছে। এছাড়া উপজেলা সদরের শান্তি রঞ্জন মিষ্টান্ন ভান্ডারের মালিক পরিমল কর, মন্ডল মিষ্টান্ন ভান্ডারের মালিক খোকন মন্ডল, বাশাইর বাজারের নিমাই মিষ্টান্ন ভান্ডারের মারিক নিমাই জানান, সাম্প্রতিক সময়ে মিষ্টি বা মিষ্টিজাত দ্রব্য বিক্রয়ে যে ধ্বস নেমেছে তাতে প্রতিষ্ঠান পরিচালনার পাশাপাশি কর্মচারীদের বেতন-ভাতা দেয়া কঠিন হয়ে পড়েছে। এই অবস্থা অব্যাহত থাকলে আগামী ছয় মাসের মধ্যে তাদের ব্যবসা প্রতিষ্ঠান বন্ধ করে দেয়া ছাড়া আর কোন পথ খোলা থাকবে না।

সংবাদটি শেয়ার করুন

এই ক্যাটাগরির আরো সংবাদ

পুরোনো সংবাদ

সোম মঙ্গল বুধ বৃহ শুক্র শনি রবি
 ১২৩৪৫৬
৭৮৯১০১১১২১৩
১৪১৫১৬১৭১৮১৯২০
২১২২২৩২৪২৫২৬২৭
২৮২৯৩০  
© All rights reserved © Kotalipara News24
Developed by : Kotalipara News
error: Content is protected !!